বস্ত্র ও পরিচ্ছদের প্রাথমিক ধারণা (দ্বাদশ অধ্যায়)

ষষ্ঠ শ্রেণি — মাধ্যমিক - গার্হস্থ্যবিজ্ঞান - ঘ বিভাগ- বস্ত্র ও পরিচ্ছদ | NCTB BOOK
593
Please, contribute by adding content to বস্ত্র ও পরিচ্ছদের প্রাথমিক ধারণা.
Content

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

মলি ও জলি দুই বান্ধবী গ্রীষ্মের দুপুরে বান্ধবীর বাবার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যায়। মলি পরেছিল হালকা আকাশি রঙের শাড়ি আর জলি পরে গাঢ় কমলা রঙের রেয়ন শাড়ি।

অনুষ্ঠানের সাথে বেমানান
অপেক্ষাকৃত আরামদায়ক
সঠিক রুচিবোধের পরিচায়ক
সঠিক রং নির্বাচনের পরিচায়ক

বস্ত্র ও পরিচ্ছদ (পাঠ ১)

408

আমরা সবাই যে পোশাক পরিধান করে আছি, তা যে কাপড় থেকে প্রস্তুত করা হয় তাকেই বলে ফেব্রিক বা বস্ত্র। পোশাক পরিধানের জন্য ব্যবহৃত বস্ত্র সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- ওভেন ফেব্রিক ও নিটেড ফেব্রিক।

ওভেন ফেব্রিক

তাঁতে বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় এক সেট সুতা তাঁতে লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে এবং আরো এক সেট সুতা আড়াআড়িভাবে চালনা করে বস্ত্র বোনা হয়। লংক্লথ, ভয়েল, পলিয়েস্টার, অর্গ্যান্ডি, জিন্স, গ্যাবার্ডিন ইত্যাদি হচ্ছে ওভেন ফেব্রিকের উদাহরণ।

নিটেড ফেব্রিক

হাতে বা মেশিনে নিটিং প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয়। এক্ষেত্রে একটি সুতার লুপ বা ফাঁসের মধ্য দিয়ে আরও একটি ফাঁস তৈরি করে বস্ত্র প্রস্তুত করা হয়। নিটেড ফেব্রিকের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টি-শার্টের কাপড়, হোসিয়ারির কাপড় ইত্যাদি।

নিচে এ ধরনের বস্ত্রের কয়েকটি গুণাবলি উল্লেখ করা হলো-একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থাকতে হবে।

গঠন প্রকৃতি বিভিন্ন রকম হবে।

  • শক্ত ও মজবুত হতে হবে।
  • পরিধানে আরামদায়ক হতে হবে।
  • টেকসই হতে হবে।
  • উজ্জ্বল ও মসৃণ হতে হবে।
  • জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতা থাকতে হবে
  • তাপ সহনশীল হতে হবে।
  • সুন্দরভাবে ঝুলে থাকার ক্ষমতা থাকতে হবে।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত এই বস্ত্রকে হেঁটে পরিধান ও ব্যবহার উপযোগী যা কিছু তৈরি করা হয় তাই হচ্ছে পরিচ্ছদ। অর্থাৎ তোমরা চুলের ফিতা থেকে পায়ের জুতা পর্যন্ত যা কিছু পরিধান করে আছ তা-ই পরিচ্ছদ।

বিভিন্ন ধরনের পরিচ্ছদ তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র প্রয়োজন হয়। যেমন- সালোয়ার, কামিজ, শার্ট মূলত তাঁতে বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বস্ত্র থেকে তৈরি করা হয়, অন্যদিকে নিটিং প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বস্তু থেকে তৈরি করা হয় গেঞ্জি, মোজা ইত্যাদি।

কাজ- ১ বিভিন্ন ধরনের বস্ত্রের টুকরা সংগ্রহ করে কোনটি কোন ধরনের বস্ত্র তা দলগতভাবে নির্ণয় করো।
কাজ- ২ তোমার কোন কোন ফেব্রিকের তৈরি পোশাক আছে তা শনাক্ত করে একটি তালিকা তৈরি করো।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

পরিবারের জন্য পোশাক কিনতে শিউলি মার্কেটে গেলেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনে ভয়েল, পলিয়েস্টার ও জিন্স ইত্যাদি ফেব্রিকের কাপড় কিনলেন।

পোশাকের প্রয়োজনীয়তা (পাঠ ২)

1.2k

তোমরা গল্প পড়ে বা ছবি দেখে জেনেছ যে সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে পরিধানের উদ্দেশ্যও পরিবর্তিত হচ্ছে। যে সব কারণে মানুষ পোশাকের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-
শালীনতা রক্ষা- সভ্য সমাজে লজ্জা নিবারণ ও শালীনতা রক্ষার উদ্দেশ্যেই মানুষ পোশাক পরে। এই শালীনতা রক্ষার জন্য মানুষ স্থানীয় সমাজ, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুশাসন অনুসারে বিভিন্ন ধরনের পোশাক পরিধান করে আসছে। এ কারণেই ইসলামিক পোশাকের সাথে জাপানিজ পোশাক কিংবা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের পোশাকের মধ্যে পার্থক্য দেখা দেয়।

স্বাস্থ্যরক্ষা- স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য পোশাকের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বাইরের ধুলাবালি, বিষাক্ত গ্যাস ও রোগ-জীবাণুর হাত থেকে রক্ষার জন্য আমরা পোশাক পরিধান করি। এছাড়া স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য অনেক সময় আমরা সাধারণ পোশাকের সাথে রুমাল, মাথায় টুপি, হাতে দস্তানা, মাস্ক, এপ্রোন ইত্যাদিও ব্যবহার করি।

আরামপ্রদান- তোমরা জানো বিভিন্ন ঋতুতে প্রকৃতি বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। তাই দেহকে আরাম প্রদানের জন্য বিভিন্ন ঋতুতে যেমন শীতকালে গরম পশমি পোশাক; গ্রীষ্মকালে ঢিলেঢালা হালকা পোশাক এবং ঝড়- বৃষ্টির সময় বিশেষ ধরনের পোশাক পরিধান করতে হয়।

পরিচিতি ও সামাজিক মর্যাদা- নিজ পেশা ও পরিচিতি সমাজে তুলে ধরার জন্য নানা ধরনের পোশাক পরতে হয়। তাই ডাক্তার, সৈনিক কিংবা নার্সদের পোশাক দেখলেই তাদের পেশা বোঝা যায়। খেলোয়াড়দের পোশাকের রং ও ডিজাইন দেখলেও দল শনাক্ত করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পোশাক দেখলেও সে দেশ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

আত্মরক্ষা- প্রাচীনকালের মানুষেরা নানা প্রতিকূল অবস্থা ও পশু-প্রাণী থেকে আত্মরক্ষার জন্য দেহে আচ্ছাদন ব্যবহার করত। পরবর্তীতে মানুষ বাইরের আঘাত ও অনিষ্ট থেকে দেহকে নিরাপদে রাখার জন্য পোশাক পরিধান করে। যেমন- কলকারখানার শ্রমিকরা বিশেষ ধরনের পোশাক, হেলমেট ও জুতা পরিধান করে; নার্স, ডাক্তার ও রসায়নবিদরা রোগ-জীবাণু ও রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে; অগ্নি প্রতিরোধক সংস্থার কর্মীরা গায়ে যেন আগুন না লাগে সেজন্য এসবেসটস তন্তুর তৈরি পোশাক পরে; সৈনিকরা বুলেট প্রতিরোধক জ্যাকেট গায়ে দেয়; খেলোয়াড়রা দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক ও আনুষঙ্গিক সজ্জা পরে; শিকারিরা আঁটসাঁট লম্বা প্যান্ট, ফুলশার্ট ও হাঁটু পর্যন্ত লম্বা জুতা, মাথায় হ্যাট পরে; ডুবুরিরা ভাসমান জীবন রক্ষাকারী জ্যাকেট ব্যবহার করে।

৬. সৌন্দর্য প্রকাশ- পোশাক হচ্ছে এমন একটি উপকরণ, যার মাধ্যমে ব্যক্তি খুব সহজেই নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে নির্বাচনটি সঠিক হতে হবে। সময় ও স্থান বুঝে মানানসই পোশাক পরলে ব্যক্তির সৌন্দর্য অনেক বেড়ে যায়।

কাজ- ১ আত্মরক্ষার জন্য কোন কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের পোশাক পরিধান করা উচিত তার একটি চার্ট দলগতভাবে উপস্থাপন কর।

কাজ - ২ ছকের মাধ্যমে দেখাও যে কোন ঋতুতে কী ধরনের পোশাক পরিধান করতে হয়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় রিপন। খেলার সময় তার দল একটি নির্দিষ্ট ধরনের পোশাক পরিধান করে।

এসবেসটস তন্তুর তৈরি পোশাক
বুলেট প্রতিরোধক জ্যাকেট
নিরাপত্তামূলক পোশাক ও আনুষঙ্গিক সজ্জা
আঁটসাঁট লম্বা প্যান্ট, হাঁটু পর্যন্ত লম্বা জুতা, মাথার হ্যাট

পোশাক বিবর্তনের ইতিহাস (পাঠ ৩)

619

তোমরা কি বলতে পারবে পোশাক কবে সৃষ্টি হয়েছিল? প্রকৃতপক্ষে কবে, কখন পোশাকের উৎপত্তি হয় তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ দেহে আচ্ছাদন ব্যবহার করে আসছে। আদিমযুগের মানুষেরা দেহে গাছের বাকল, পাতা, প্রাণীর চামড়া, পালক, অলংকার ইত্যাদি আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করত। সে যুগের মানুষেরা চামড়ার সাথে সংযুক্ত পা বা খুর দুটো গলার পেছন দিকে বেঁধে বুক ও পিঠ ঢেকে রাখত। চামড়া বড় হলে খুরগুলো গলা ও কোমরের কাছে এনে গিঁট দিয়ে রাখত। এ ধরনের ব্যবস্থা সুবিধাজনক ছিল না, প্রায়ই খুলে যেত।

ধীরে ধীরে মানুষ সেলাই করার কৌশল আবিষ্কার করে। মৃত পশুর শুকনো রগ দিয়ে সুতা এবং চিকন হাড় থেকে সুচ অবিষ্কার করে চামড়া সেলাই করে দেহ আচ্ছাদন করে। এরূপ পোশাক বেশ নিরাপদ ছিল। দেহে সেঁটে থাকত এবং খুলে যেত না। এর পর মানুষ শীত, গরম, বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাবার জন্য চামড়া সেলাই করে তাঁবু তৈরি করে। পরবর্তীতে চামড়া আরো প্রক্রিয়াজাত করে আরামদায়ক, উন্নত ও স্থায়ী পোশাক তৈরি করতে সক্ষম হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিকদের নিদর্শন থেকে দেখা গিয়েছে যে, প্রাচীনকালে চরকার প্রচলন ছিল। অর্থাৎ সে যুগেও সুতা কেটে মানুষ বস্ত্র তৈরি করত। তবে দেখা গিয়েছে যে, তখন বস্ত্রের জন্য মানুষেরা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল ছিল। এরপর একসময় মানুষ প্রাকৃতিক উদ্ভিদ আঁশ, প্রাণীর চুল বা লোম, গুটিপোকার লালা ইত্যাদি থেকে সুতা বানিয়ে সেই সুতা দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে বস্ত্র তৈরি করে এবং উক্ত বস্ত্র ছেঁটে পোশাক সেলাই করা শুরু করে।

তোমরা খেয়াল করবে যে, সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে অনেক যন্ত্রপাতি, কলকারখানার আবিষ্কার হয়। ফলে শুধু প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল না থাকার জন্য মানুষ প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে অথবা এককভাবে রাসায়নিক উপাদান থেকে কৃত্রিম তন্তু আবিষ্কার করে এবং ঐ সুতা দিয়ে বস্ত্র বানিয়ে নানা ধরনের পোশাক বানাতে সক্ষম হয়। মানুষ যেহেতু সৌন্দর্যের অনুসারী তাই পোশাকের প্রতি মানুষের চাহিদা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। আর এ কারণেই বস্ত্র উৎপাদনে যেমন বৈচিত্র্য আসছে, তেমনি পোশাকের ডিজাইনেও নতুনত্ব লক্ষ করা যায়। তবে দেশ, কাল, ধর্মভেদে এই ডিজাইনে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

কাজ- ১ : প্রাচীনকালের মানুষেরা পোশাক তৈরির জন্য কিসের উপর নির্ভরশীল ছিল তা শ্রেণিকক্ষে উপস্থাপন করো।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

মামার সাথে নিতু জাদুঘরে বেড়াতে গেল। সে সেখানে আদিমযুগে ব্যবহার্য পোশাক দেখল এবং প্রাচীনকালের যন্ত্রে তৈরি পোশাকও দেখল। এর ফলে সে পোশাকের ক্রমবিকাশ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করল।

তন্তু আঠা দিয়ে জোড়া দিয়ে
তন্তু সেলাই করে
চরকায় সুতা কেটে
তন্তু গিট দিয়ে সংযুক্ত করে

অনুশীলনী

233

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন:

১. আদিম কালে কী দিয়ে সুচ ও সুতা তৈরি করা হতো?
ক. লোহা ও তুলা
খ. লোহা ও রগ
গ. হাড় ও রগ
ঘ. ডাল ও পাতা

২. কোন ধরনের বস্ত্রের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি থাকে-
ক. ওভেন ফেব্রিক
খ. নিটেড ফেব্রিক
গ. নেটিং ফ্রেব্রিক
ঘ. ফেন্টিং ফেব্রিক

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ো এবং ৩ নং ও ৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:
মলি ও জলি দুই বান্ধবী গ্রীষ্মের দুপুরে বান্ধবীর বাবার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যায়। মলি পরেছিল হালকা আকাশী রঙের শাড়ি আর জলি পরে গাঢ় কমলা রঙের রেয়ন শাড়ি।
৩. পোশাক নির্বাচনে মলি যত্নশীল ছিল-
i. সময়ের দিকে
ii. সৌন্দর্যের প্রতি
iii. অনুষ্ঠানের প্রকৃতির প্রতি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. i ও iii
গ. ii ও iii
ঘ. i. ii ও iii

৪. জলির নির্বাচিত পোশাকটি-
ক. অনুষ্ঠানের সাথে বেমানান
খ. অপেক্ষাকৃত আরামদায়ক
গ. সঠিক রুচি বোধের পরিচায়ক
ঘ. সঠিক রং নির্বাচনের পরিচায়ক

সৃজনশীল প্রশ্ন

১. একদিন সোভা বান্ধবী রেবার বাসায় যাবে বলে নরম, আরামদায়ক ও ঢিলাঢালা পোশাক ইস্ত্রি করে। সোভা বান্ধবীর বাসায় পৌঁছানোর পর গল্প করতে যেয়ে বান্ধবী রেবা সোভাকে বলল, জামাটা ইস্ত্রি করিসনি? কেমন যেন কুঁচকে গেছে। উত্তরে সোভা বলে কাপড়টি ইস্ত্রি করেছি, তারপরও এ অবস্থা। রেবা বলে আমার জামাটা কিন্তু কুঁচকায় না, শোষণ ক্ষমতা বেশি।
ক. মানুষের জীবনে মৌলিক চাহিদা কয়টি?
খ. নার্সরা আত্মরক্ষার জন্য কী ধরনের পোশাক পরিধান করে বুঝিয়ে লেখো।
গ. উদ্দীপকে সোভার পরিধেয় বস্তুটি কোন ধরনের- ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সোভা ও রেবার পরিধেয় কাপড়ের বৈশিষ্ট্যগুলো তুলনামূলক আলোচনা করো।

২. ৭ বছর বয়সী রাহাত বাসায় বসে টেলিভিশনে খেলা দেখছিল। খেলোয়াড়দের নীল ও হলুদের পোশাকের মাঝে ফুটবলের ছবি দেখে রাহাত বলে বাবা ব্রাজিলের খেলা। রাহাতের বাবা জিজ্ঞাসা করল কিভাবে বুঝলে। সে বলে জার্সি দেখে। রাহাতের বাবা জিজ্ঞাসা করল বাংলাদেশের খেলোয়াড় চিনবে কিভাবে? রাহাত বলল কেন লাল-সবুজ জার্সি দেখেই। রাহাতের বাবা তখন বলেন পৃথিবীর সব দেশের পোশাক দেখলে সেই দেশের সংস্কৃতি ও সভ্যতা জানা যায়।
ক. নিটেড ফেব্রিক কী?
খ. আত্মরক্ষা কী? বুঝিয়ে বলো।
গ. পোশাকের প্রয়োজনীয়তার কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে রাহাত খেলেয়াড়কে শনাক্ত করতে পেরেছে?
ঘ. যেকোনো দেশের খেলোয়াড়দের পোশাক সেই দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরে, উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...